বাক্যটিতে ঔষধ হলো একটি কর্মকারক কারণ কর্তা কী দিচ্ছে বা প্রয়োগ করছে তার উত্তর হিসেবে ঔষধ পাওয়া যায়। যেহেতু শব্দের শেষে কোনো অতিরিক্ত বিভক্তি নেই, তাই এটি শূন্য বিভক্তি।
১. সম্প্রদান কারক হতে হলে কোনো কিছু শর্তহীনভাবে দান করা বোঝাতে হতো যা এখানে নেই।
২. অধিকরণ কারক স্থান বা সময় বোঝায়, কিন্তু ঔষধ এখানে কোনো স্থান বা সময় নয় বরং একটি বস্তু।
৩. কর্তৃকারক হলো সেই যে নিজে কাজ করে, কিন্তু ঔষধ নিজে কোনো কাজ করতে পারে না।
অতিরিক্ত তথ্য: ‘কী’ বা ‘কাকে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা-ই হলো কর্মকারক।