ধ্বনির লিখিত রূপ বা নির্দেশক চিহ্নকেই বর্ণ বলা হয়। যখন আমরা কোনো শব্দ মুখ দিয়ে উচ্চারণ করি তা হলো ধ্বনি, আর যখন তা কাগজে লিখি তখন সেই চিহ্নটিই হলো বর্ণ।
১. শব্দের ক্ষুদ্রতম অংশ হলো ধ্বনি, কিন্তু বর্ণ হলো তার কেবল একটি দৃশ্যমান সংকেত।
২. একসঙ্গে উচ্চারিত ধ্বনিগুচ্ছকে ‘অক্ষর’ (Syllable) বলা হয়, বর্ণ নয়।
৩. বর্ণ মূলত মানুষের কথা বা ধ্বনিকে স্থায়িত্ব দেওয়ার একটি উপায়।
অতিরিক্ত তথ্য: বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণ রয়েছে, যার মধ্যে ১১টি স্বরবর্ণ এবং ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ।