শব্দের মধ্যে একটি স্বরের প্রভাবে অন্য স্বরের সঙ্গতি বা সামঞ্জস্য রক্ষা করে যে পরিবর্তন হয় তাকে স্বরসংগতি বলে। যেমন: দেশি > দিশি (এখানে ‘ই’ কারের প্রভাবে ‘এ’ কার ‘ই’ কারে পরিণত হয়েছে)।
১. অভিশ্রুতি হলো অপিনিহিতি জাত ই-কার বা উ-কার পূর্ববর্তী স্বরের সাথে মিলে গিয়ে যে পরিবর্তন হয় (যেমন: করিয়া > করে)।
২. অপিনিহিতি হলো পরের ই-কার বা উ-কার আগে উচ্চারিত হওয়া (যেমন: আজি > আইজ)।
৩. সমীভবন হলো ব্যঞ্জনধ্বনির পরিবর্তন, স্বরধ্বনির নয়।
অতিরিক্ত তথ্য: স্বরসংগতি কয়েক প্রকার হতে পারে— প্রগত, পরাগত, মধ্যগত এবং অন্যোন্য। এটি মূলত উচ্চারণ সহজ করার একটি প্রক্রিয়া।