ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের মাধ্যমে হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার না কিনেও ইন্টারনেটের মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে বিশাল স্টোরেজ ও কম্পিউটিং সুবিধা পাওয়া যায়। এটি পে-অ্যাজ-ইউ-গো (Pay-as-you-go) মডেলে কাজ করে।
১. ক্লাউড সার্ভিসে সফটওয়্যারের লাইসেন্স ফি প্রদানকারীকে বহন করতে হয় না, এটি সার্ভিস প্রোভাইডার দেখে।
২. অ্যাপ্লিকেশনের ওপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ সাধারণত ইউজারের থাকে না, এটি প্রোভাইডারের হাতে থাকে।
৩. তথ্যের গোপনীয়তা বা সিকিউরিটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের একটি অন্যতম চ্যালেঞ্জ বা অসুবিধা হিসেবে গণ্য হয়।
অতিরিক্ত তথ্য: ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের তিনটি প্রধান ধরণ হলো- আইএএএস (IaaS), পিএএএস (PaaS) এবং এসএএএস (SaaS)। আমাজন, গুগল এবং মাইক্রোসফট হলো শীর্ষস্থানীয় ক্লাউড সার্ভিস প্রদানকারী।