হৃৎপিণ্ডের সংকোচনের ফলে ধমনীর মধ্য দিয়ে রক্ত প্রবাহিত হওয়ার সময় যে ছন্দময় আন্দোলন তৈরি হয় তাকে নাড়ীর স্পন্দন বা পালস বলে। এটি কেবল ধমনীতেই বোঝা যায়।
১. শিরার মধ্য দিয়ে রক্ত খুব ধীরগতিতে ও স্থিরভাবে প্রবাহিত হয়, তাই সেখানে স্পন্দন অনুভূত হয় না।
২. স্নায়ু বৈদ্যুতিক সংকেত বহন করে এবং ল্যাকটিয়াল লসিকা তন্ত্রের অংশ, এদের সাথে রক্ত সঞ্চালনের সরাসরি স্পন্দন নেই।
৩. সাধারণত হাতের কব্জি বা ঘাড়ের ধমনীতে চাপ দিয়ে নাড়ীর স্পন্দন পরীক্ষা করা হয়।
অতিরিক্ত তথ্য: একজন সুস্থ মানুষের নাড়ীর স্পন্দন মিনিটে ৭২ বার হয়।