চর্যাপদের পদগুলো প্রাচীন অপভ্রংশ বা অবহটঠ ছন্দের অনুকরণে রচিত হলেও আধুনিক ছন্দের বিচারে এগুলোকে মাত্রাবৃত্ত ছন্দের আদি রূপ ধরা হয়। এর প্রতিটি চরণে সাধারণত ১৬টি মাত্রা থাকে।
১. অক্ষরবৃত্ত ছন্দে তালের চেয়ে অক্ষরের সংখ্যার ওপর জোর দেওয়া হয়, যা চর্যাপদের গঠনের সাথে পুরোপুরি মেলে না।
২. স্বরবৃত্ত ছন্দ মূলত ছড়ার ছন্দ, আর অমিত্রাক্ষর ছন্দ মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রবর্তিত আধুনিক ছন্দ।
৩. চর্যাপদের ছন্দকে অনেক গবেষক ‘পাদাকুলক’ ছন্দ হিসেবেও অভিহিত করেছেন।
অতিরিক্ত তথ্য: চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন যা ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল থেকে আবিষ্কার করেন।