ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যে খেয়াঘাটের মাঝি ঈশ্বরী পাটনী অন্নদা দেবীর কাছে এই বর চেয়েছিলেন। বাংলার সাধারণ মানুষের চিরন্তন আকাঙ্ক্ষা—তাঁদের পরবর্তী প্রজন্ম যেন খেয়ে-পরে সুখে থাকে—তা এই পংক্তির মাধ্যমে ফুটে উঠেছে।
১. ভাঁড়ু দত্ত চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের একটি খল চরিত্র, সে দেবীর কাছে কোনো নিরাসক্ত বর চায়নি।
২. চাঁদ সওদাগর অহংকারী ও প্রতিবাদী ছিলেন, তিনি সহজে দেবীর কাছে নত হতে চাননি।
৩. এটি কেবল কাব্যের একটি পংক্তি নয়, বরং বাঙালি মধ্যবিত্তের চিরায়ত জীবনদর্শনের একটি প্রতিফলন।
অতিরিক্ত তথ্য: ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর মধ্যযুগের শেষ বড় কবি এবং তিনি নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন।