কৃষিখাতে প্রযুক্তির প্রয়োগ
কৃষিখাতে প্রযুক্তির ব্যাপক প্রয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশে সারা বছরই মৌসুমি ফল উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রযুক্তিটি হলো—
Barisal • 2025

ব্যাখ্যা (Explanation)

উদ্দীপকে বর্ণিত সারা বছর মৌসুমি ফল উৎপাদন এবং কৃষিখাতের উন্নয়ন মূলত জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং (Genetic Engineering)-এর অবদান।

১. জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং: কোনো জীবের ডিএনএ (DNA) পরিবর্তন বা স্থানান্তর করে নতুন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন উন্নত জাতের জীব বা উদ্ভিদ তৈরি করার প্রযুক্তিই হলো জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং। এর মাধ্যমে উচ্চফলনশীল, রোগবালাই সহনশীল এবং অফ-সিজন বা বারোমাসি ফসলের জাত উদ্ভাবন করা সম্ভব হয়েছে।
২. অন্যান্য অপশন:
• বায়োমেট্রিক্স: মানুষের শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য দ্বারা পরিচয় শনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়।
• বায়োইনফরমেটিক্স: জীববিদ্যা সংক্রান্ত জটিল তথ্যের গাণিতিক ও কম্পিউটারাইজড বিশ্লেষণ।
• ন্যানোটেকনোলজি: অণু-পরমাণু স্তরে পদার্থকে নিয়ন্ত্রণ করার প্রযুক্তি।

অতিরিক্ত তথ্য:
জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহার করে তৈরি করা উদ্ভিদকে GMO (Genetically Modified Organism) বলা হয়। বাংলাদেশে উদ্ভাবিত বিটি-বেগুন এর একটি বাস্তব উদাহরণ।