‘নীরব’ শব্দটি বিসর্গসন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে ($নিঃ + রব = নীরব$)। এখানে বিসর্গ লোপ পেয়ে পূর্ববর্তী হ্রস্ব ই-কার দীর্ঘ ঈ-কারে পরিণত হয়েছে।
১. উজ্জ্বল শব্দটি ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ ($উৎ + জ্বল$)।
২. মানোত্তীর্ণ শব্দটি স্বরসন্ধির উদাহরণ ($মান + উত্তীর্ণ$)।
৩. সংগ্রাম শব্দটি ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম মেনে গঠিত ($সম্ + গ্রাম$)।
অতিরিক্ত তথ্য: বিসর্গসন্ধি মূলত ব্যঞ্জনসন্ধিরই একটি বিশেষ শাখা।