উদ্দীপকে উল্লিখিত LTE (Long Term Evolution) স্ট্যান্ডার্ডটি মূলত ৪র্থ প্রজন্মের (4G) মোবাইল ফোনের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এই প্রজন্মের মূল লক্ষ্য হলো উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা প্রদান করা, যা নির্বিঘ্ন ভিডিও কনফারেন্সিং এর জন্য অপরিহার্য।
১. ২য় প্রজন্মে মূলত জিএসএম (GSM) প্রযুক্তি এবং ৩য় প্রজন্মে ডব্লিউসিডিএমএ (WCDMA) ব্যবহৃত হতো, কিন্তু এগুলোতে LTE সুবিধা ছিল না।
২. ৫ম প্রজন্মে LTE এর পরিবর্তে উন্নততর 5G New Radio (NR) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় যা আরও বেশি গতিসম্পন্ন।
৩. ৪জি নেটওয়ার্কে আইপি-নির্ভর প্রোটোকল ব্যবহারের কারণে ডাটা ট্রান্সমিশন রেট অনেক বেশি থাকে, যা হাই-ডেফিনিশন ভিডিও কল সাপোর্ট করে।
অতিরিক্ত তথ্য: ৪জি বা চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইলে ইন্টারনেটের গতি ৩জি-র তুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি। এই প্রজন্মে ভয়েস কলের জন্য VoLTE (Voice over LTE) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় যা কল কোয়ালিটি অনেক উন্নত করে।