স্মার্ট বাংলাদেশ হলো রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের একটি আধুনিক রূপরেখা। এটি চারটি মূল স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত: স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট গভর্নমেন্ট, স্মার্ট ইকোনমি এবং স্মার্ট সোসাইটি। এর মূল উদ্দেশ্য হলো প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া, ক্যাশলেস অর্থনীতি গড়ে তোলা এবং প্রতিটি নাগরিককে ডিজিটাল দক্ষতাসম্পন্ন করে গড়ে তোলা। শিক্ষার ক্ষেত্রে ‘স্মার্ট এডুকেশন’ এর মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর শিখন পদ্ধতি নিশ্চিত করা এর অন্যতম লক্ষ্য।