১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত ইয়াল্টা সম্মেলনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল বিশ্বশান্তি বজায় রাখার জন্য জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করা।
১. বিশ্বযুদ্ধের কারণ নির্ণয় করার জন্য কোনো সম্মেলনের প্রয়োজন ছিল না, কারণ তখন যুদ্ধের শেষ পর্যায় চলছিল।
২. জিব্রালটার প্রণালীর সুরক্ষা ছিল একটি সামরিক কৌশলগত বিষয়, যা ইয়াল্টা সম্মেলনের মূল আলোচ্য ছিল না।
৩. এই সম্মেলনে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী ইউরোপের পুনর্গঠন এবং জার্মানির ভাগ্য নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
অতিরিক্ত তথ্য: ইয়াল্টা সম্মেলনে রুজভেল্ট, চার্চিল এবং স্ট্যালিন—এই তিন বিশ্বনেতা অংশগ্রহণ করেছিলেন।