বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে বাগদা চিংড়ি চাষ এবং বিশ্ববাজারে এটি রপ্তানী পণ্য হিসেবে ব্যাপকতা লাভ করে মূলত আশির দশক থেকে। একে বাংলাদেশের ‘সাদা সোনা’ বলা হয়।
১. পঞ্চাশ বা ষাট দশকে চিংড়ি চাষ এভাবে প্রাতিষ্ঠানিক বা রপ্তানীমুখী হয়ে ওঠেনি।
২. আশির দশকের শুরুতে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে চিংড়ি খাত গার্মেন্টস শিল্পের পাশাপাশি বড় ভূমিকা রাখতে শুরু করে।
৩. লবণাক্ত পানিতে বাগদা চিংড়ির চাষ দক্ষিণবঙ্গের অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে।
অতিরিক্ত তথ্য: খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলা বাগদা চিংড়ি চাষের প্রধান এলাকা।