বড়ু চণ্ডীদাস রচিত ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের ১৩টি খণ্ডের মধ্যে প্রণয়খণ্ড নামে কোনো খণ্ড নেই। অন্য তিনটি (নৌকা, হার, রাধাবিরহ) কাব্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
১. নৌকাখণ্ডে রাধা-কৃষ্ণের নৌকা ভ্রমণের কাহিনী এবং হারখণ্ডে কৃষ্ণের হার চুরির ঘটনা বর্ণিত আছে।
২. রাধাবিরহ হলো এই কাব্যের সর্বশেষ এবং কাব্যিক গুণসম্পন্ন অংশ যা কোনো খণ্ড হিসেবে চিহ্নিত নয়।
৩. জন্মখণ্ড থেকে শুরু করে বংশীখণ্ড পর্যন্ত এই কাব্যটি এক নাট্যগীতি হিসেবে রচিত।
অতিরিক্ত তথ্য: ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ এই পুঁথিটি আবিষ্কার করেন।