ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে বাংলা সাহিত্যের ‘যুগসন্ধিক্ষণের কবি’ বলা হয়। তিনি মধ্যযুগের কাব্যরীতি এবং আধুনিক যুগের চেতনার মিলন ঘটিয়েছিলেন, যা মাইকেল মধুসূদন দত্তের কাব্যবিপ্লবের পথ প্রশস্ত করে।
১. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মধুসূদন দত্তের পরবর্তী সময়ের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি।
২. কায়কোবাদ আধুনিক যুগের কবি যিনি ‘মহাশ্মশান’ মহাকাব্যের জন্য বিখ্যাত।
৩. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের কবিতায় দেশপ্রেম এবং ব্যঙ্গরসের চমৎকার সমন্বয় দেখা যায়।
অতিরিক্ত তথ্য: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।