যে বাচ্যে কর্ম থাকে না এবং ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে প্রাধান্য পায়, তাকে ভাববাচ্য বলে। এখানে ‘বের করতে হবে’ ক্রিয়ার মাধ্যমেই বাক্যের মূল ভাবটি প্রকাশিত হয়েছে, তাই এটি ভাববাচ্যের উদাহরণ।
১. কর্মবাচ্যে কর্মের প্রাধান্য থাকে এবং কর্তার সাথে ‘দ্বারা/কর্তৃক’ যুক্ত থাকে, যা এখানে অনুপস্থিত।
২. কর্মকর্তৃবাচ্যে কর্ম নিজেই কর্তার মতো কাজ করে (যেমন: বাঁশি বাজে)।
৩. যৌগিক বাক্য সাধারণত দুটি স্বাধীন বাক্যের সমষ্টি, যা এই বাক্যের গঠনের সাথে মেলে না।
অতিরিক্ত তথ্য: ভাববাচ্যের কর্তায় সাধারণত ষষ্ঠী, দ্বিতীয় বা তৃতীয় বিভক্তি যুক্ত হয়।