ID#277 HSC ICT CQ (Jessore 2025)
MS Word Writing Guide
১.
প্রথমে উপরের COPY বাটনে ক্লিক করুন।
২.
MS Word-এ গিয়ে Ctrl + V দিয়ে পেস্ট করুন।
৩.
সমীকরণটি সিলেক্ট করে কিবোর্ডে Alt + = চাপুন।
Shortcut: Alt and equal key
৪.
এরপর ডানদিকের ড্রপডাউন থেকে Professional সিলেক্ট করলেই গণিত সুন্দর দেখাবে।
উদ্ভিদে প্রযুক্তি প্রয়োগের কারণে আজ উচ্চ ফলনশীল এবং আবহাওয়া উপযোগী ফসল উৎপাদন সম্ভব হয়েছে। অপরদিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমতাসম্পন্ন যন্ত্র শিল্প ক্ষেত্রে ব্যবহারের ফলে মানুষের শ্রমসাধ্য কাজ খুব সহজেই করা যাচ্ছে।
ক) স্মার্ট হোম কী?
খ) “ক্রেতা-বিক্রেতাকে তাদের উৎপাদিত পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য অন্যত্র যেতে হয় না”— বুঝিয়ে লেখ।
গ) ফসল উৎপাদনের ক্ষেত্রে উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রযুক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
ঘ) উদ্দীপকে উল্লিখিত ক্ষেত্র ছাড়াও আর কোন কোন ক্ষেত্রে কীভাবে আমরা যন্ত্রটি ব্যবহার করতে পারি? আলোচনা কর।
ব্যাখ্যা
ক) স্মার্ট হোম কী?
স্মার্ট হোম হলো এমন এক ধরনের বিশেষ প্রযুক্তি বা ব্যবস্থা, যেখানে হোম অটোমেশন সিস্টেমের মাধ্যমে বাড়ির হিটিং, কুলিং, লাইটিং এবং সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেমসহ যাবতীয় ইলেকট্রনিক ডিভাইসকে দূরবর্তী স্থান থেকে স্মার্টফোন বা ইন্টারনেটের সাহায্যে নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি করা যায়।
খ) “ক্রেতা-বিক্রেতাকে তাদের উৎপাদিত পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য অন্যত্র যেতে হয় না”— বুঝিয়ে লেখ।
প্রশ্নোক্ত উক্তিটি মূলত ই-কমার্স (E-commerce) বা ইলেকট্রনিক কমার্সকে নির্দেশ করে। বর্তমানে ইন্টারনেটের মাধ্যমে পণ্য কেনাবেচার সুযোগ থাকায় ক্রেতাকে যেমন বাজারে যেতে হয় না, তেমনি বিক্রেতাকে কোনো স্থায়ী দোকান বা শোরুম নিয়ে বসে থাকতে হয় না। ক্রেতা অনলাইনে ওয়েবসাইট বা ফেসবুক পেজ দেখে পণ্য অর্ডার করেন এবং ঘরে বসেই ডেলিভারি পান। এই ব্যবস্থার ফলে সময় ও যাতায়াত খরচ সাশ্রয় হয় এবং ঘরে বসেই পণ্য লেনদেন সম্ভব হয়।
গ) ফসল উৎপাদনের ক্ষেত্রে উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রযুক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকে ফসল উৎপাদনের ক্ষেত্রে উল্লিখিত প্রযুক্তিটি হলো জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং (Genetic Engineering)।
ব্যাখ্যা: জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং হলো এমন একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে কোনো জীবের ডিএনএ (DNA) অণুর পরিবর্তন ঘটিয়ে কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন নতুন জীব বা উদ্ভিদ তৈরি করা হয়। ফসল উৎপাদনের ক্ষেত্রে এর প্রভাব অপরিসীম:
১. উচ্চ ফলনশীলতা: এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফসলের উৎপাদন বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব হয়েছে।
২. প্রতিকূলতা সহনশীলতা: বন্যা, খরা বা লবণাক্ততা সহিষ্ণু ফসল উদ্ভাবন করা হয়েছে।
৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: পতঙ্গ বা ক্ষতিকর ভাইরাস প্রতিরোধী জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে (যেমন: বিটি বেগুন)।
এর ফলে আবহাওয়ার চরমভাবাপন্ন অবস্থায়ও আজ মানসম্মত ফসল উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে।
ঘ) উদ্দীপকে উল্লিখিত ক্ষেত্র ছাড়াও আর কোন কোন ক্ষেত্রে কীভাবে আমরা যন্ত্রটি ব্যবহার করতে পারি?
উদ্দীপকে শিল্প ক্ষেত্রে 'কৃত্রিম বুদ্ধিমতাসম্পন্ন যন্ত্র' বলতে রোবট (Robot) বা রোবটিক্স প্রযুক্তিকে বোঝানো হয়েছে। শিল্প ক্ষেত্র ছাড়াও রোবটকে আমরা আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারি:
১. চিকিৎসা ক্ষেত্রে: বর্তমানে অতি সূক্ষ্ম অস্ত্রোপচারে (Surgery) রোবট ব্যবহার করা হচ্ছে, যা মানুষের হাতের তুলনায় অনেক বেশি নিখুঁত।
২. মহাকাশ গবেষণায়: মানুষ যে সকল প্রতিকূল পরিবেশে যেতে পারে না (যেমন: মঙ্গল গ্রহ), সেখানে রোবট পাঠিয়ে তথ্য সংগ্রহ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।
৩. ঝুঁকিপূর্ণ কাজে: বোমা নিষ্ক্রিয়করণ, খনির ভেতরে কাজ করা বা পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তেজস্ক্রিয় এলাকায় রোবট অত্যন্ত সফলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
৪. শিক্ষা ও বিনোদনে: বর্তমানে পার্সোনাল রোবট শিশুদের পাঠদান বা বাসাবাড়ির ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবেও কাজ করছে।
সিদ্ধান্ত: পরিশেষে বলা যায়, রোবটিক্স ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কেবল শিল্প কারখানায় নয়, বরং মানব সভ্যতার প্রতিটি ঝুঁকিপূর্ণ ও সূক্ষ্ম কাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্মার্ট হোম হলো এমন এক ধরনের বিশেষ প্রযুক্তি বা ব্যবস্থা, যেখানে হোম অটোমেশন সিস্টেমের মাধ্যমে বাড়ির হিটিং, কুলিং, লাইটিং এবং সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেমসহ যাবতীয় ইলেকট্রনিক ডিভাইসকে দূরবর্তী স্থান থেকে স্মার্টফোন বা ইন্টারনেটের সাহায্যে নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি করা যায়।
খ) “ক্রেতা-বিক্রেতাকে তাদের উৎপাদিত পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য অন্যত্র যেতে হয় না”— বুঝিয়ে লেখ।
প্রশ্নোক্ত উক্তিটি মূলত ই-কমার্স (E-commerce) বা ইলেকট্রনিক কমার্সকে নির্দেশ করে। বর্তমানে ইন্টারনেটের মাধ্যমে পণ্য কেনাবেচার সুযোগ থাকায় ক্রেতাকে যেমন বাজারে যেতে হয় না, তেমনি বিক্রেতাকে কোনো স্থায়ী দোকান বা শোরুম নিয়ে বসে থাকতে হয় না। ক্রেতা অনলাইনে ওয়েবসাইট বা ফেসবুক পেজ দেখে পণ্য অর্ডার করেন এবং ঘরে বসেই ডেলিভারি পান। এই ব্যবস্থার ফলে সময় ও যাতায়াত খরচ সাশ্রয় হয় এবং ঘরে বসেই পণ্য লেনদেন সম্ভব হয়।
গ) ফসল উৎপাদনের ক্ষেত্রে উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রযুক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকে ফসল উৎপাদনের ক্ষেত্রে উল্লিখিত প্রযুক্তিটি হলো জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং (Genetic Engineering)।
ব্যাখ্যা: জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং হলো এমন একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে কোনো জীবের ডিএনএ (DNA) অণুর পরিবর্তন ঘটিয়ে কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন নতুন জীব বা উদ্ভিদ তৈরি করা হয়। ফসল উৎপাদনের ক্ষেত্রে এর প্রভাব অপরিসীম:
১. উচ্চ ফলনশীলতা: এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফসলের উৎপাদন বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব হয়েছে।
২. প্রতিকূলতা সহনশীলতা: বন্যা, খরা বা লবণাক্ততা সহিষ্ণু ফসল উদ্ভাবন করা হয়েছে।
৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: পতঙ্গ বা ক্ষতিকর ভাইরাস প্রতিরোধী জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে (যেমন: বিটি বেগুন)।
এর ফলে আবহাওয়ার চরমভাবাপন্ন অবস্থায়ও আজ মানসম্মত ফসল উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে।
ঘ) উদ্দীপকে উল্লিখিত ক্ষেত্র ছাড়াও আর কোন কোন ক্ষেত্রে কীভাবে আমরা যন্ত্রটি ব্যবহার করতে পারি?
উদ্দীপকে শিল্প ক্ষেত্রে 'কৃত্রিম বুদ্ধিমতাসম্পন্ন যন্ত্র' বলতে রোবট (Robot) বা রোবটিক্স প্রযুক্তিকে বোঝানো হয়েছে। শিল্প ক্ষেত্র ছাড়াও রোবটকে আমরা আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারি:
১. চিকিৎসা ক্ষেত্রে: বর্তমানে অতি সূক্ষ্ম অস্ত্রোপচারে (Surgery) রোবট ব্যবহার করা হচ্ছে, যা মানুষের হাতের তুলনায় অনেক বেশি নিখুঁত।
২. মহাকাশ গবেষণায়: মানুষ যে সকল প্রতিকূল পরিবেশে যেতে পারে না (যেমন: মঙ্গল গ্রহ), সেখানে রোবট পাঠিয়ে তথ্য সংগ্রহ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।
৩. ঝুঁকিপূর্ণ কাজে: বোমা নিষ্ক্রিয়করণ, খনির ভেতরে কাজ করা বা পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তেজস্ক্রিয় এলাকায় রোবট অত্যন্ত সফলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
৪. শিক্ষা ও বিনোদনে: বর্তমানে পার্সোনাল রোবট শিশুদের পাঠদান বা বাসাবাড়ির ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবেও কাজ করছে।
সিদ্ধান্ত: পরিশেষে বলা যায়, রোবটিক্স ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কেবল শিল্প কারখানায় নয়, বরং মানব সভ্যতার প্রতিটি ঝুঁকিপূর্ণ ও সূক্ষ্ম কাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
Resource Details
| Exam | HSC |
| Subject | ICT |
| Chapter | 1 |
| Board | Jessore |
| Year | 2025 |
Discussion — HSC ICT CQ (Jessore 2025)
No discussion yet. Be the first to post a comment!